ঢাকা, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

আইয়ামে জাহেলিয়া বাস্তবে দেখলাম: প্রধান উপদেষ্টা

আইয়ামে জাহেলিয়ার কথা শুনেছি, কিন্তু শেখ হাসিনা সরকার তা বাস্তবে করে দেখিয়েছে। আয়নাঘর আমাদের সমাজের চরম অবক্ষয়ের প্রতিফলন।

আজ বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় আয়নাঘর পরিদর্শনকালে প্রধান উপদেষ্টা এ কথা বলেন।

আয়নাঘর পরিদর্শনে তার সঙ্গে ছিলেন দেশ-বিদেশের গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা ও ভুক্তভোগীদের পরিবার।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‌‘গুম কমিশনের প্রতিবেদনে এই আয়নাঘরের ড কুমেন্টেশন বাধ্যতামূলক করা হবে। একইসঙ্গে যারা এ ধরনের কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল তাদের বিচার করা হবে।’

এসব তথ্য-প্রমাণ সিলগালা করে রাখা হবে এবং বিচারের জন্য ব্যবহৃত হবে বলেও জানান প্রধান উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, ‘আপনারা সবাই সঙ্গে ছিলেন, কাজেই আমার আর নতুন করে কিছু বলতে হবে না। আপনারা সবই দেখেছেন। এক কথায় যদি এর বর্ণনা দিতে হয় তবে বলতে হয় এক বীভৎস দৃশ্য। মানুষের মনুষ্যত্ববোধ বলে যেটা আছে সেটাকে বহু গভীরে নিয়ে গেছে নিশ্চিহ্ন করার জন্য। নৃশংষ প্রতিটি জিনিস। যতবারই শুনি অবিশ্বাস্য মনে হয়।’

তিনি বলেন  আরও বলেন, ‘বিনা কারণে জঙ্গি আখ্যায়িত করে মানুষকে তুলে এনে এসব টর্চার সেলে নির্যাতন করা হতো।’ তিনি বলেন, ‘এখন শুনি সারা বাংলাদেশ জুড়েই আরো সাতশ-আটশ আয়নাঘর আছে। আমার ধারণা ছিল শুধু এখানেই আছে। এগুলার সংখ্যাও নিরূপণ করা যায় না, কতটা জানা আছে, কতটা অজানা আছে।’

উপস্থিত ভুক্তভোগী কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেছেন বলে উল্লেখ করেন প্রধান উপদেষ্টা। শেখ হাসিনার আমলে গুমের শিকার জামায়াতে ইসলামীর নেতা গোলাম আযমের ছেলে আব্দুল্লাহিল আমান আযমী এবং দলটির কেন্দ্রীয় নেতা ও ইসলামী ছাত্র শিবিরের প্রতিষ্ঠাতা মীর কাশেম আলীর ছেলে আহমেদ বিন কাশেম এ সময় তাদের সঙ্গে ছিলেন।

দুইজন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ এবং নাহিদ ইসলাম নিজেরাও এই আয়নাঘরে বন্দী ছিলেন এবং তারা ওই রুম চিহ্নিত করেছেন বলে জানান।

নিউজটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ট্যাগঃ