ঢাকা, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পাস

জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও বাজেট অধিবেশনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস করা হয়েছে। এটি দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় আকারের বাজেট।

আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন) সংসদ অধিবেশনে নির্দিষ্টকরণ বিল, ২০২৬ পাসের মধ্য দিয়ে এই বাজেট অনুমোদন পায়। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরুর দিন ১ জুলাই থেকে এই বাজেট কার্যকর হবে।

এর আগে গতকাল সোমবার (২৯ জুন) করমুক্ত আয়সীমা বৃদ্ধি এবং কিছু ক্ষেত্রে করছাড়ের ৬৪টি সংশোধনীসহ অর্থ বিল, ২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস হয়।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী গত ১১ জুন জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেন। ‘গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা’ শিরোনামে রাখা হয়েছে এবারের বাজেট।

তার প্রস্তাবিত ব্যয় বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের চেয়ে ১৯ শতাংশ বেশি। টাকার অঙ্কে এই বাজেট বাংলাদেশের মোট জিডিপির ১৩ দশমিক ৭৩ শতাংশের সমান।

সংশোধিত অর্থবিলে করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। পাশাপাশি আবাসন খাতে বিনা প্রশ্নে কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ বাতিল করা হয়েছে।

এ ছাড়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজের করপোরেট কর ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। খুচরা ব্যবসায়ীদের ওপর ভ্যাট আরোপের প্রস্তাবও বাদ দেওয়া হয়েছে। অর্থবিল পাসের মধ্য দিয়ে কর ও শুল্কসংক্রান্ত সব প্রস্তাব চূড়ান্ত হয়েছে।

গতকাল ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নেন বিরোধীদলীয় নেতা ড. শফিকুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সংসদের বাজেট অধিবেশনে অর্থবিলের ওপর বক্তব্য দেওয়ার সময় কালো টাকা সাদা করার সুযোগ বাতিল করার সুপারিশ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে নতুন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে টিআইএন সনদ বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব বাতিল এবং ব্যক্তির করমুক্ত আয়সীমা বাড়িয়ে চার লাখ টাকা করাসহ বেশ কিছু বিষয়ে সংশোধনী আনার অনুরোধ করেন।

এর আগে গত ১১ জুন জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

২০২৫-২৬ অর্থবছরের মূল বাজেটের আকার ছিল ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা। সংশোধনে তা ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকায় নেমে আসে।

নিউজটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ট্যাগঃ