সরকার দেশের দরিদ্র ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের সুরক্ষা জোরদারে নতুন উদ্যোগ হিসেবে চালু করতে যাচ্ছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি। ইতোমধ্যে পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে প্রথম ধাপ শুরু করার প্রস্তুতি চলছে। সরকারের লক্ষ্য—এই কার্ডের মাধ্যমে পরিবারগুলোর নারী সদস্য বা গৃহকর্তার হাতে সরাসরি নগদ অর্থ সহায়তা পৌঁছে দেওয়া, যাতে প্রকৃত উপকারভোগীরা দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে সুবিধা পান।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় প্রদত্ত সহায়তার পরিমাণ দেশের বিদ্যমান অন্যান্য সামাজিক ভাতার তুলনায় বেশি হবে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে সহায়তা বিতরণ করায় অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও মধ্যস্থতার সুযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে বলে আশা করছে সরকার। এজন্য একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেস তৈরি করে পরিবারের তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই করা হবে।
আবেদন প্রক্রিয়া ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
ফ্যামিলি কার্ডের পূর্ণাঙ্গ আবেদন কার্যক্রম এখনো শুরু হয়নি। তবে প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসেবে আবেদনকারীদের কাছ থেকে মাত্র তিনটি কাগজপত্র সংগ্রহের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে—
আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)
পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি
সচল মোবাইল নম্বর
পাইলট প্রকল্প শেষ হলে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা কাউন্সিলর কার্যালয় থেকে সরাসরি আবেদন ফর্ম সংগ্রহ করা যাবে। পাশাপাশি সরকার একটি অনলাইন পোর্টাল চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে, যাতে ঘরে বসেই সহজে আবেদন করা সম্ভব হয়।
সরকারের আশা, এই উদ্যোগ সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করবে এবং নিম্নআয়ের পরিবারগুলোর আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।








